নয়নিকা !!!!!!!!!!


সায়নের বুকের উপর মাথা রেখেই ঘুমিয়ে পড়েছে মেয়েটি। মেয়েটি এখনো তার তুলতুলে হাতের মাঝে সায়নের হাতকে আঁকড়ে ধরে রেখেছে। যেন পৃথিবীর কোন শক্তি, এমনকি মৃত্যুও যেন, তার হাতকে আলাদা করতে না পারে। রাতে যে এভাবে ঘুমিয়ে পড়বে কখনো কল্পনাও করতে পারেনি মেয়েটি।

ঘুম থেকে উঠেই মেয়েটিকে এমন অবস্থায় দেখে কিছুটা মায়া হয় সায়নের। মেয়েটির চাঁদের মতো সুন্দর স্নিগ্ধ মুখটি, কেমন যেন ফ্যাকাসে হয়ে গেছে। চুলগুলো এলোমেলে, মায়াবী চোখের সেই মনোহরীনি চাহনি কোথায় যেন হারিয়ে গেছে। শুষ্ক, বিবর্ণমুখ দেখে যে কেউ বলে দিতে পারে, মেয়েটি গত ২/৩ দিন কঠোর পরিশ্রম করেছে! এমনকি রাতেও ঠিকভাবে মনে হয় ঘুমাতে পারেনি!

নয়নিকার হাতের মধ্য থেকে নিজের হাতটিকে খুবই সতর্কভাবে বের করে নেয় সায়ন, যাতে নয়নিকার ঘুম না ভেঙ্গে যায়। মেয়েটির মাথায় আলতোভাবে হাত বুলাতে থাকে সায়ন আর মনে করতে চেষ্টা করে কি হয়েছিল তার।
মেয়েটি বুকের উপর মাথা রেখে ঘুমানোর সময় সায়ন এক স্বর্গীয় সুখ অনুভব করে। এতো হারিয়ে যাওয়া সেই হৃদয়ের সুখ! অথচ এই মেয়েটিই আজ থেকে ২ সপ্তাহ আগে বাসর রাতে যখন এভাবেই ঘুমিয়ে পড়েছিল, তখন হৃদয়ের মাঝে সুখের পরিবর্তে কেমন যেন একটা হাহাকার, শূন্যতা অনূভূত হয়েছিল।

এমন প্রফুল্ল সুখ সর্বশেষ আজ থেকে ১মাস আগে অনুভব করেছিল। সেদিন ছিল বৃহস্পতিবার। সায়ন আর নয়নিকা সেদিন রাত ৯টা-১০টা প্রর্যন্ত ক্যাম্পাসের শহীদ মিনারে বসে ছিল! এখানেই তারা প্রতিদিন দেখা করত। কিভাবে তাদের জীবন সুন্দর হবে, সুখী-সমৃদ্ধ হবে! বিয়ের পরে পরিবারের সবাইকে কিভাবে আপন করে নিবে!!
কিন্তু সেদিন তাদের জন্য দিনটি ছিল আরো সুখের-আরো খুশির!! তাদের দুজনের পরিবারের সম্মতিতে আগামি মাসেই তাদের বিয়ে হবে!!

এই নয়নিকা মেয়েটিকেই প্রাণের চেয়েও বেশি ভালবাসে সে। জীবনের এই স্নিগ্ধ ভালবাসা ও সুখের পিছনে এই নয়নিকা মেয়েটির অবদান অনেক। ফাইনাল প্রফে ফেল করে সায়নের জীবন হয়ে গিয়েছিল দুর্বিষহ! গভীর অন্ধকারে হারিয়ে গিয়েছিল সে। এতোটাই ভেঙ্গে পড়েছিল যে সাপ্লি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ছিল সে।

সেই গভীর অন্ধকার থেকে আলোর পথে ফিরিয়ে আনতে এই নয়নিকা মেয়েটির ভূমিকায় মূখ্য। তার অক্লান্ত পরিশ্রম ও অনুপ্রেনায় অবশেষে সায়ন ফাইনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাস করে এবছর।

সেদিনের পর থেকে সায়নের সাথে নয়নিকার আর দেখা হয়নি, বিয়ের আগ প্রর্যন্ত!! কিন্তু সেদিনের নয়নিকা যেন এক অন্য নয়নিকা!! সায়ন ভেবেছিল অপরিচিত মানুষের মাঝে নিজেকে সঠিকভাবে মানিয়ে নিতে কিছুটা সময় লাগবে!! সায়নও এটাকে স্বাভাবিক বিষয় হিসেবে মেনে নেই!!!

কিন্তু আজ থেকে ৩দিন আগে সায়নের সমস্ত পৃথিবী ওলটপালট হয়ে যায়!! সেদিন নয়নিকা সায়ন কে নিয়ে বাইরে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে একটি প্রাইভেট হাসপাতালের কেবিনে নিয়ে যায়!!

কেবিনে ঢুকেই সায়ন একটি বিবর্ণ, অসুস্থ, মেয়েকে দেখতে পায়!! মেয়েটির সারা দেহে বিভিন্ন ব্লিডিং স্পট, ফ্যাকাসে চোখ, হলুধাব চেহারা দেখলে মনে হয় সারাদেহে কেউ হলুদ মাখিয়ে দিয়েছে!! কিন্তু একি মেয়েটিকে দেখে সায়নের এমন খারাপ লাগছে কেন??? মেয়েটিকে তার অনেক আপন মনে হচ্ছে কেন?? মেয়েটি কে তার??

"সায়ন, আমার হাতটা একটু ধরবে!!" কথা গুলো শুনে সায়নের মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়ে!! এ যে নয়নিকা!! সেই নয়নিকা যাকে জীবনের চেয়েও বেশি ভালবাসে সে!! যাকে ছাড়া সায়নের জীবন অর্থহীন!!

এগিয়ে গিয়ে নয়নিকার হাতকে নিজের হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে!! সায়নের দুচোখ দিয়ে অঝোর ধারায় বৃষ্টি নামতে থাকে!! সায়নের চোখদুটিকে মুছে দেয়ার ব্যর্থ চেষ্টা করতে থাকে নয়নিকা!!

"আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি সায়ন!! ওপারে তোমাকে ছাড়া থাকতে অনেক কষ্ট হবে আমার!! এ জীবনে তোমাকে আপন করে না পেলেও অনন্তকালের জীবনে যেন আপন করে পায়, আল্লাহর কাছে এই দুয়া করি!!" কথাগুলো বলতে বলতে নয়নিকার দুচোখ দিয়ে শেষবারের মতো জল গড়িয়ে পড়ে!!!!

হতভম্ভ সায়ন কেবিন থেকে বেরিয়ে ফার্মেসী থেকে দুইপাতা ডায়াজিপাম কিনে বাড়ি ফিরে আসে। রুমে ঢুকেই সবগুলো ওষুধ খেয়ে ঘুমিয়ে পরে!

এর পর আর কিছুই মনে নেই সায়নের!! দুচোখ দিয়ে অঝোর ধারায় প্লাবন নামছে সায়নের........
ফোটায় ফোটায় চোখের পানি নয়নিকার মুখে পরায় ঘুম ভেঙ্গে যায় নয়নিকার!! নয়নিকার চোখের কোনে এক চিলতে আশার আলো জ্বলে উঠে!! আনন্দে সায়নকে বুকে জড়িয়ে ধরে নয়নিকা আর কাঁদোকাঁদো কণ্ঠে বলে উঠে "এই ১৫ দিনে তোমাকে নিজের জীবনের চেয়েও অনেক বেশি ভালবেসে ফেলেছি!! তোমাকে ছাড়া এক মুহূর্তও আমি বাঁচতে পারব না! তোমাকে সব কিছু সেদিন খুলে বলতাম কিন্তু তার আগেই তোমার বোনের ফোনে জানতে পারলাম তুমি দুইপাতা ডায়াজিপাম খেয়ে শুয়ে আছো! আল্লাহর কাছে লাখোকোটি শুকরিয়া যে তিনি তোমাকে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দিয়েছেন!! আজ তোমাকে সব কিছু খুলে বলব!!"

কথাগুলো বলতে বলতে নিজের ভ্যানিটিব্যাগ থেকে একটি চিঠি বের করে সায়নের হাতে তুলে দেয় নয়নিকা। চিঠিটি হাতে নিয়ে খুলে পড়তে থাকে সায়ন...

" প্রিয় সায়ন,

হৃদয়ের গভীর থেকে পাঠানো ভালবাসা শেষ বারের মতো অনুভব করে, চিরদিনের জন্য ভুলে যাও। চিঠিটি যখন তোমার হাতে পোঁছাবে তখন আমি তোমাকে ছেড়ে পৃথিবী থেকে অনেক দূরে হারিয়ে গেছি!!
সেদিন ক্যাম্পাস থেকে বাড়ি এসে হঠাৎ হেমাটোম্যাসিস শুরু হয়। তোমাকে তখন অনেকবার ফোন দিয়েছিলাম কিন্তু তোমার ফোন বন্ধ ছিল! এখন বুইঝতে পারি সেদিন ফোন বন্ধ থাকাতেই আমার জন্য ভাল হয়েছিল নাহলে আজ আমার সাথে তুমিও হয়তো পৃথিবীর বাইরে থাকতে!

সেদিন বাবা আমাকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেলেন। ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানালেন আমার এ্যকুট লিউকেমিয়া হয়েছে!! বাড়ি ফিরে সেদিন সারারাত শুধু আমাকে আর তোমাকে নিয়ে চিন্তা করেছি। আমিতো এ পৃথিবী ছেড়ে চলে যাব কিন্তু তুমি! আমাকে ছাড়া এই পৃথিবীতে কিভাবে বেচে থাকবে!! তাই তোমাকে না জানিয়েই সকল ব্যবস্থা করে গেলাম তোমার সুখের জন্যে, আমাদের ভালবাসার জন্য!

ভালবাসা মানে শুধু দুজন দুজনকে কাছে পাওয়া নয়। সারাজীবনের জন্য অপরের সুখের নিমিত্তে কিছু করে যাওয়া। সারাজীবন মনের মাঝে ভালবাসার মানুষটিকে বেধে রাখা।

বাবাকে বললাম আমি পৃথিবী ছেড়ে চলে যাব কিন্ত সায়নকে পৃথিবীতে সারা জীবন সুখে রেখে যেতে চায়। আমার অনুরোধেই বাবা আমার মনোজাইগোটিক বোন, নয়নিকা জুইকে তোমার সাথে বিয়ে দিয়ে দিলেন। বাসার সবায় এমনকি জুইও আমাকে ওয়াদা করেছিল যে এটা তোমাকে কখনো জানাবে না.........

আজ আমি অনেক অসুস্থ! আমাকে হাসপাতালে ভর্তি করে রাখা হয়েছে। হাসপাতালের বেডে শুয়ে একমাত্র শুধু তোমার কোথায় মনে পড়ছে!! তোমার সাথে কাটানো সেই সোনালি দিন গুলোই চোখে ভেসে উঠছে। তোমাকে অনেক ভালবাসি সায়ন......

জুই এর কাছ থেকে শুনতে পেলাম তোমার মনের মাঝে নাকি তোমার বউয়ের জন্য সেই ভালবাসা উদয় হয়না কিন্তু এজন্য তুমি নিজেকে অনেক বেশি দোষারোপ করছ। আমি জানি কেন এমন হয়।

তোমার কাছে নিজেকে কেমন জানি অপরাধী মনে হচ্ছে। হয়তোবা তোমাকে ঠকানোর জন্যই এমন হচ্ছে। আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি তাই তোমার কাছে আমি অপরাধী হয়ে থাকতে চায় না। এজন্যই তোমাকে সবকিছু জানিয়ে গেলাম।

পারলে আমাকে ক্ষমা করে দিও! আর তোমার কাছে একটা অনুরোধ নিজের জীবনকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিও না। তুমি যতদিন পৃথিবীতে বেচে থাকবে ততদিন আমাদের প্রেম বেচে থাকবে।
তোমার কাছে আমার শেষ চাওয়া আমার আদরের ডাক্তার বোনটিকে আমার থেকেও বেশি করে ভালবাসবে। তার মাঝেই আমাকে তুমি খুজে নিবে! আমরা দুবোন যে একই আত্মা!

আমি আর লিখতে পারছি না, ভীষণ কষ্ট হচ্ছে। তোমাকে ছেড়ে যেতে ইচ্ছে করছে না! শেষ বারের মতো অনুরোধ করছি সারাজীবন দুজন দুজনকে ভালবেসে যাবে! এই ভালবাসার মাঝেই আমি তোমাদের সাথে বেচে থাকতে চায় আজীবন......

ইতি
তোমার ভালবাসা
নয়নিকা সাথি"

সায়নের চোখ থেকে অশ্রু অঝর ধারায় ঝরে যাচ্ছে....
নিজের দুইহাতকে প্রসারিত করে সাথিকে, না...না.... নয়নিকাকে বুকে জড়িয়ে ধরল সায়ন.....
সেই সুখের অনুভূতি যেটা আজ থেকে ১মাস আগে শেষবারের মতো অনুভব করেছিল সায়ন.......

কেউ সন্ধ্যাদীপ জ্বালাবে না, নামাযে ডেকে দিবে না!

তুলসী গাছটির নিচে আর কেউ সন্ধ্যাদীপ জ্বালাবে না, ফজরের নামাযে আর কেউ ডেকে দিবে না!

প্রতিদিন যে মেয়েটি সন্ধ্যাদীপ জ্বালাতো আজকের পর থেকে সেই মেয়েটি আর কখনো প্রদীপ জ্বালাবে না। যে ছেলেটি নিয়মিত নামায পরে, হয়তো এরপর থেকে তার ফজরের নামাযটি কাজা হয়ে যাবে ঘুমে আচ্ছাদিত থেকে। হয়তো জীবন থেকে হারিয়ে যাবে স্নিগ্ধ প্রেম, স্রস্টা প্রদত্ত ভালবাসা!

আজ থেকে প্রায় ৪ বছর আগে এই মেয়েটির সাথে প্রথম দেখা হয় মেডিকেল কলেজের লাইব্রেরীতে। রুমে পড়তে ভাল না লাগায় নিয়মিত লাইব্রেরীতে যেতাম। একটি মেয়েকে দেখতাম সবসময় লাইব্রেরীর একটি নির্দিষ্ট দিকেই বসে পড়তে। একদিন গ্রে এর এনাটমি বই নিয়ে এসে একটি মেয়ে আমাকে বলছে হার্টের ভালব এর গঠন বুঝিয়ে দিতে। সেই থেকে রুবি মেয়েটির সাথে পার্টনারশিপ শুরু। নিয়মিত একসাথে লাইব্রেরী তে পড়তাম, রাতের বেলায় মোবাইলে একে অন্যকে প্রশ্ন করতাম আর উত্তর শুনতাম। এভাবে কেটে যায় ১ বছর। ধীরে ধীরে মেয়েটিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে আমার নতুন পৃথিবী! যে পৃথিবী রুবি রায় ছাড়া অর্থহীন! আমার স্বপ্নময় পৃথিবীর একমাত্র রাণী সে। তার স্বপ্নলোকের একমাত্র অধিপতি আমি দিপ্ত!

একদিন সকালে আমার বুকে মাথা রেখে সে জানাল, তার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে কিন্তু আমাকে ছাড়া অন্যকাউকে সে জীবন সাথি হিসেবে মেনে নিতে পারবে না! আমিও পারব না তাকে ছাড়া অন্যকাউকে অর্ধাঙ্গিনী হিসেবে মেনে নিতে! দুজনে মিলে তখনই কাজি অফিসে গিয়ে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে করার সিধান্ত নিলাম। কাজি, কনের সম্পূর্ণ নাম শুনে, বরের সম্পূর্ণ নাম শুনলে, আমরা হতবম্ভ হয়ে পড়ি! কনে রুবি রায়, হিন্দু; বর দিপ্ত রহমান, মুসলিম! আমি নিস্তব্ধ কারণ এতোদিন আমি রুবিকে মুসলিম হিসেবেই জানি, রুবি নির্বাক সে আমাকে এতোদিন হিন্দু হিসেবেই জানে! সেদিন কাজি অফিস থেকে ফিরে দুজনেই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে চেষ্টা করি কিন্তু ব্যর্থ হয়। দুজনে বিশাল এক সিদ্ধান্ত নিয়ে পরের মাসেই বিয়ে করে ফেলি।

দাদা-দাদির স্বপ্নকে, বাবা-মায়ের চাওয়াকে, নিজেদের সুন্দর জীবন গড়তে আমি ও রুবি দুজনেই কঠোর পরিশ্রম করতে শুরু করি। একে অপরের প্রতি নির্ভরশীল হয়ে পড়ি, ভালবাসা আরো গভীর আরো আকর্ষনীয় হয়ে উঠে। আমি নিয়মিত নামায পড়ি আর আল্লাহর কাছে দুয়া করি যেন সারাজীবন আমাদের দুজনের জীবন স্নিগ্ধ ভালবাসায় পরিপূর্ণ থাকে, সারাটি জীবন যেন এক সাথে পার করে দিতে পারি। রুবিও নিয়মিত পূজা অর্চনা করত, আমাদের বাসার বারান্দার সামনে তুলসী গাছের নিচে সন্ধ্যাদীপ জ্বালাতো। কখনো খুনশুটি করে, কখনো পার্টনারশিপ করে দুজনে রাত ১২টা /১টা প্রযন্ত জেগে থাকতে থাকতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়তাম কিছুই টের পেতাম না। ভোরে রুবির ডাক শুনে ঘুম ভাঙ্গত আমার। ফজর নামাযের জন্য আমাকে ডাক দিয়ে, পূজোর ঘরে ঢুকতো রুবি। এভাবেই খুশিতে দিন কেটে যেত আমাদের!!

কিন্তু সুখ চিরদিন স্থায়ী হয় না! পূর্নিমার এই স্নিগ্ধ আলো অমাবস্যার গহীন অন্ধকারে ঢেকে যাবে কাল থেকে! কালকে রুবিকে আমার কাছ থেকে চিরদিনের জন্য নিয়ে যাবে, তার বাবা!

ঘুটঘুটে অন্ধকার রাতে আমার বুকে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়েছে রুবি!! চারিদিকে ঘন অন্ধকার ঘনিয়ে আসছে..... কোথাও কোন আলোক রেখা দৃষ্টগোচর হয় না......গভীর অন্ধকারে দৃষ্টি ক্ষীন হয়ে আসছে আমার.......